‘প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে এমনটি আমি বলতে চাইনি। এটি ভুলবশত বলা হয়েছে। আসিফ মাহমুদসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে আসা অভিযোগগুলোর অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুদক।’
সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে ‘দুর্নীতির অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে’ মিডিয়ার সাথে কথা বলার সময় এমনটি বলতে চাননি বলে জানিয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মুখপাত্র আকতারুল ইসলাম।
'আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে দুদক' এমন শিরোনামে গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরের বিষয়ে জানতে চাইলে বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাতে বেঙ্গল লেন্সকে এ কথা জানান তিনি।
আকতারুল ইসলাম বলেন, “প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে এমনটি আমি বলতে চাইনি। এটি ভুলবশত বলা হয়েছে। আসিফ মাহমুদসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে আসা অভিযোগগুলোর অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুদক।’

এছাড়া দুদক বিট কাভার করেন এমন গণমাধ্যমকর্মীদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে ‘প্রাথমিক সত্যতা’ শব্দটি না ব্যবহার করার অনুরোধ করেন আকতারুল ইসলাম। তিনি লিখেন, “প্রিয় সাংবাদিকবৃন্দ, পদোন্নতি, বদলি বাণিজ্য, পদায়নসহ বিভিন্ন অভিযোগে সাবেক উপদেষ্টা জনাব আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুদক। কথা বলতে গিয়ে সম্ভবত প্রাথমিক সত্যতা শব্দ বলে ফেলেছি। ‘প্রাথমিক সত্যতা’ শব্দটি না রাখার বিনীত অনুরোধ করছি। ভিডিওতে থাকলে সেটিও এডিট করার জন্য বিনীত অনুরোধ করছি।”
ওই গ্রুপে রয়েছেন এমন অন্তত ৩ জন সাংবাদিক এই মেসেজটির বিষয়ে বেঙ্গল লেন্সকে নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে দুপুরে দুদকের এই মুখপাত্রের বরাত দিয়ে 'আসিফ মাহমুদ এর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে দুদক' শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করে একাধিক সংবাদমাধ্যম। এখন টিভি, বার্তা বাজার, ভোরের কাগজ, নিউজজি২৪.কমসহ কয়েকটি সংবাদ মাধ্যম ‘প্রাথমিক সততা’ না লিখে সরাসরি ‘সত্যতা’ বা ‘প্রমাণ’ মিলেছে দিয়েও শিরোনাম করেছে।