সাংবাদিক ও টকশো উপস্থাপক খালেদ মুহিউদ্দীনের নামে ‘জামায়াতে ইসলামী নিয়ে সংক্ষিপ্ত মূল্যায়ন’ শিরোনামে একটি পোস্ট সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে ছড়িয়ে পড়েছে। নির্বাচনের পূর্বেও একই পোস্ট খালেদ মুহিউদ্দীনের নামে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছিল। এবার বিভিন্ন জামায়াতপন্থী ব্যক্তির ফেসবুক আইডি থেকে পোস্টটি আবারও প্রচার হতে দেখা যাচ্ছে।
সাংবাদিক ও টকশো উপস্থাপক খালেদ মুহিউদ্দীনের নামে ‘জামায়াতে ইসলামী নিয়ে সংক্ষিপ্ত মূল্যায়ন’ শিরোনামে একটি পোস্ট সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে ছড়িয়ে পড়েছে। নির্বাচনের পূর্বেও একই পোস্ট খালেদ মুহিউদ্দীনের নামে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছিল। এবার বিভিন্ন জামায়াতপন্থী ব্যক্তির ফেসবুক আইডি থেকে পোস্টটি আবারও প্রচার হতে দেখা যাচ্ছে।
তবে বেঙ্গল লেন্সের যাচাইয়ে দেখা যায়, পোস্টটি খালেদ মুহিউদ্দীনের লেখা নয়। যা খালেদ মুহিউদ্দীন নিজেই বেঙ্গল লেন্সকে নিশ্চিত করেছেন।
সম্প্রতি পোস্টটি ছড়াতে দেখা যায় মুজিবুর রহমান এর ফেসবুক আইডি থেকে। বায়োতে তার পরিচয় সুপ্রিম কোর্টের এডভোকেট হিসেবে পাওয়া যায়। ওই পোস্টটি ইতোমধ্যে ৩২৮ বার শেয়ার করা হয়েছে। এর আগেও একই বক্তব্যের অসংখ্য পোস্ট এখানে এখানে এখানে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়তে দেখা গেছে।
ভাইরাল পোস্টটিতে বলা হয়, “আমি কথা বলতে চাই, জুলাই শহীদদের নিয়ে জামায়াতের দশ খন্ডের বইটার ব্যাপারে। আমি আল্লাহর কাছে দুআ করি— এই কাজের পুরস্কার যেন আল্লাহ জামায়াতকে দান করেন। প্রায় ছয় শত শহীদের জীবনী, তাদের পরিচয়, আকাঙ্ক্ষা, পরিবার, শাহাদতের বিবরণ, তাদের উপর চালানো নির্মমতা— এসব কিছু রঙ্গিন পাতায় এতো উত্তমভাবে আনা হয়েছে, বলার মত নয়।”
মূলত জামায়াতের পলিসি সামিটের পর ‘খালিদ মুহম্মদ’ নামের একজন ফেইসবুক এক্টিভিস্ট পোস্টটি প্রকাশ করেছিলেন। নামের মিলের কারণে পরবর্তীতে পোস্টটি সাংবাদিক খালেদ মুহিউদ্দীনের নামে ছড়িয়ে পড়ে। এ বিষয়ে খালিদ মুহম্মদ বেঙ্গল লেন্সকে জানান, “জামায়াতের পলিসি সামিট পর্যবেক্ষণ করে আমি বিস্তারিত লিখেছি এবং মত দিয়েছি। দুর্ভাগ্যবশত নাম বিভ্রাটের কারণে লেখাটি সাংবাদিক খালেদ মুহিউদ্দীনের নামে ছড়িয়ে পড়ে।”