Bengal Lens
নিউজ লেন্স

ভাস্কর্য নিয়ে মামুনুল হকের বক্তব্য বিকৃত করে প্রচার ডেইলি স্টারসহ একাধিক গণমাধ্যমের

জুলাই জাদুঘর পরিদর্শনের গিয়ে, 'জুলাই জাদুঘরের ভাস্কর্যের মুখাবয়ব মুছে ফেলার আহ্বান মামুনুলের’ দাবিতে প্রচার করেছে ডেইলি স্টারসহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম।

কিন্তু বেঙ্গল লেন্স যাচাই করে দেখেছে, খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হকের এই বক্তব্যটি বিকৃতভাবে প্রচার করা হচ্ছে।

ডেইলি স্টারের প্রতিবেদন

বিভিন্ন মিডিয়াতে আসা মামুনুল হকের ভিডিও বক্তব্য বিশ্লেষণে দেখা যায় তিনি বলেছেন, ‘শাপলার যে শহীদ, (অর্থাৎ ২০১৩ সালে ৫ মে শাপলা চত্বরের শহীদ) আমরা তাদের মুখাবয়বকে বাদ দিয়ে অবশিষ্ট যে দৃশ্যগুলো রয়েছে, সেগুলোকে চিত্র করার জন্য পরামর্শ দিব।’

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে মামুনুল হকের বক্তব্যটি তুলে ধরে বলা হয়, প্রতিটি ইতিহাসের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দৃশ্যকে তার মূল চেতনাসহ ধারণ করা উচিত। ফ্যাসিবাদের সময়ে আমরা একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্দোলন ও সংগ্রামের মধ্য দিয়ে গিয়েছি—সেটি হলো ভাস্কর্যবিরোধী আন্দোলন। আমাদের স্পষ্ট বক্তব্য ছিল, রাষ্ট্রীয় স্থাপনায় মুসলিম সংস্কৃতি ও মূল্যবোধবিরোধী মানুষের ভাস্কর্য থাকতে পারে না। সে জায়গা থেকে শাপলা চত্বরের শহীদদের মুখাবয়ব বাদ দিয়ে তাঁদের স্মৃতি ও ঘটনাকে চিত্রিত করার পরামর্শ দিচ্ছি।

অর্থাৎ মামুনুল হক জুলাই জাদুঘরে স্থাপিত ভাস্কর্যের মুখাবয় মুছে ফেলার আহ্বান জানাননি। বরং তিনি ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা গণহত্যার শিকার শহীদদের মুখাবয়কে মুছে অবশিষ্ট দৃশ্যকে চিত্রিত করার আহ্বান জানিয়েছেন।

এছাড়া ঢাকা মেইল লিখেছে, জুলাই জাদুঘর থেকে ভাস্কর্যের মুখাবয়ব মুছে ফেলার আহ্বান মামুনুল হকের

স্টার নিউজ লিখেছে, জুলাই জাদুঘর থেকে ভাস্কর্যের মুখাবয়ব মুছে ফেলার আহ্বান মামুনুল হকের।

বাংলা ট্রিবিউন লিখেছে, জুলাই জাদুঘরের ভাস্কর্য থেকে মুখাবয়ব মুছে ফেলার আহ্বান মামুনুল হকের।

ভোরের কাগজ লিখেছে, জুলাই জাদুঘর থেকে ভাস্কর্যের মুখাবয়ব মুছে ফেলার আহ্বান মামুনুল হকের।

যাদের প্রত্যেকের হেডিং একই। যা পাঠককে বিভ্রান্ত করে।