Bengal Lens
টকশো লেন্স

বাংলাদেশ প্রতিদিনের সর্বশেষ ৩০টি টকশো পর্যালোচনা

অতিথিদের ৩৩ শতাংশ বিএনপিপন্থী, জামায়াত ১২ শতাংশ, প্রায় অনুপস্থিত এনসিপি

গত ৮ জুলাই থেকে ৯ আগস্ট পর্যন্ত সম্প্রচারিত বাংলাদেশ প্রতিদিনের ৩০টি টকশো বিশ্লেষণ করেছে বেঙ্গল লেন্স। যেখানে মোট ৭৫ জন অতিথির উপস্থিতি দেখা গেছে। এর মধ্যে বিএনপিপন্থী অতিথি উপস্থিতি ছিলেন ২৫ জন। যা মোট অতিথির ৩৩.৩ শতাংশ। জামায়াতপন্থী অতিথি উপস্থিতি ছিলেন ৯ জন। যা মোট অতিথির ১২ শতাংশ। আর জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) অতিথি ছিলেন মাত্র একজন। যা মোট অতিথির মাত্র ১.৩ শতাংশ।

এছাড়া অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) ৪ জন, আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টি (৪) জন, জাতীয় পার্টি ২ জন, খেলাফত মজলিস ২ জন, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) ২ জন, ছাত্র ইউনিয়ন ২ জন, গণফোরাম ২ জন, বাংলাদেশ মুসলিম লীগ ১ জন এবং নেজামে ইসলামের ১ জন অতিথি উপস্থিত ছিলেন। পাশাপাশি সিনিয়র সাংবাদিক ১২ জন ও অন্যান্য পেশার ব্যক্তিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ৮ জন।

অর্থাৎ, একক রাজনৈতিক ঘরানা হিসেবে বিএনপিপন্থীদের উপস্থিতিই ছিল এক তৃতীয়াংশ। আর অতিথিদের মধ্যে এনসিপির অনুপস্থিতির হার ছিল চোখে পড়ার মতো।

দ্য ডিসেন্টের এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, "গত ২৫ জুন জাতীয় সংসদে বাজেট আলোচনায় এনসিপির সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ বসুন্ধরা গ্রুপের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তোলেন। হাসনাতের এই বক্তব্যের পর টানা চারদিনে হাসনাত আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে বসুন্ধরার মালিকানাধীন ৫টি সংবাদমাধ্যমে সংঘবদ্ধভাবে ৯৯টি নেতিবাচক কন্টেন্ট প্রচার করা হয়।"

কন্টেন্ট প্রচারের পাশাপাশি এ ঘটনার পর থেকে বসুন্ধরার আওতাধীন সকল গণমাধ্যম থেকে এনসিপির উপস্থিতি উল্লেখযোগ্যহারে কমে যায়। দেখা যাচ্ছে, এনসিপি সংশ্লিষ্ট ইস্যুতে আলোচনা হলেও এনসিপির পক্ষ থেকে কাউকে রাখা হয়নি। যেমন, বাংলাদেশ প্রতিদিনের ৩০ জুলাইয়ের টকশোর টপিক ছিলো 'মুখোমুখি বিএনপি- এনসিপি'। সেখানে এনসিপির পক্ষ থেকে কাউকে রাখা হয়নি। সেই টকশোতে উপস্থিত ছিলেন, এডভোকেট মহসিন রশিদ ও অধ্যাপক সঞ্জয় দে রিপন।

এর মধ্যে মহসিন রশিদ পলাতক শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের পক্ষে একাধিকবার বক্তব্য দিয়ে আওয়ামীপন্থী হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন। হাসনাতের ওই বক্তব্যের আগের টকশোগুলোতে এনসিপিপন্থী অতিথিদের উপস্থিতি ছিল উল্লেখযোগ্য হারে।

৩০টি টকশোর অতিথি বিন্যাস

৯ আগস্ট ‘রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ও জামায়াতের অপকর্ম!’ শিরোনামের টকশোটি সঞ্চালনা করেন রুহুল আমিন রাসেল। এতে অতিথি ছিলেন বিএনপির তথ্যবিষয়ক সম্পাদক ও সংসদ সদস্য আজিজুল বারী হেলাল এবং সিপিবির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল কাফি রতন।

৮ আগস্ট ক্যাম্পাসে কীসের মধু?’ শিরোনামের টকশোটি সঞ্চালনা করেন রাজন ভট্টাচার্য। এতে অতিথি ছিলেন বিএনপির সাবেক তথ্য ও গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক রেজাবুদ্দৌলা চৌধুরী, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমির মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী এবং গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক ড. মিজানুর রহমান।

টকশো

৭ আগস্ট ‘রাজনীতির নেপথ্যে কী হচ্ছে?’ শিরোনামের টকশোটি সঞ্চালনা করেন রুহুল আমিন রাসেল। এতে অতিথি ছিলেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী, সাবেক সামরিক কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষক ক্যাপ্টেন হাসিব হাসান খান এবং কালের কণ্ঠের যুগ্ম সম্পাদক সাঈদ খান, যাকে এই বিশ্লেষণে বিএনপিপন্থী সাংবাদিক হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে।

৬ আগস্ট ‘১১ দলের সচিবালয় ঘেরাও ও রাজনীতি’ শিরোনামের টকশোটি সঞ্চালনা করেন রাজন ভট্টাচার্য। এতে অতিথি ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, বাসদের সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশীদ ফিরোজ এবং সিনিয়র সাংবাদিক মাহবুব আলম।

৫ আগস্ট ‘গণঅভ্যুত্থান, পরিবর্তন ও ভবিষ্যৎ’ শিরোনামের টকশোটি সঞ্চালনা করেন রুহুল আমিন রাসেল। এতে অতিথি ছিলেন এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু, বিএনপি নেতা মোশাররফ আহমেদ ঠাকুর এবং সাবেক ছাত্র ইউনিয়ন সভাপতি শরীফুজ্জামান শরীফ।

৪ আগস্ট ‘জুলাই হত্যাকাণ্ড, বিচার কত দূরে?’ শিরোনামের টকশোটি সঞ্চালনা করেন রুহুল আমিন রাসেল। এতে অতিথি ছিলেন বিএনপির তথ্য-প্রযুক্তিবিষয়ক সহসম্পাদক ও সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল, শিক্ষক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক অধ্যাপক ড. হাসানুজ্জামান চৌধুরী এবং শিক্ষক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক অধ্যাপক ড. রেজওয়ানা করিম স্নিগ্ধা।

৩ আগস্ট ‘এক দফা ঘোষণার সেই দিন’ শিরোনামের টকশোটি সঞ্চালনা করেন রুহুল আমিন রাসেল। এতে অতিথি ছিলেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব এমরান সালেহ প্রিন্স, জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য মাসরুর মাওলা এবং সিনিয়র সাংবাদিক আবু সাঈদ খান। অর্থাৎ, এই পর্বে বিএনপির একজন রাজনৈতিক প্রতিনিধি, জাতীয় পার্টির একজন প্রতিনিধি এবং একজন সিনিয়র সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন। অভ্যুথান নিয়ে টকশো হলেও অভ্যুত্থানের অন্যতম শরীক জামায়াত বা এনসিপির কেউ টকশোতে উপস্থিত ছিলেন না। বরং ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের সহযোগী জাতীয় পার্টিকে টকশোতে রাখা হয়।

২ আগস্ট ‘ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলন ও রাজনীতি’ শিরোনামের টকশোটি সঞ্চালনা করেন রুহুল আমিন রাসেল। এতে অতিথি ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ড. আসাদুজ্জামান রিপন, সিনিয়র সাংবাদিক এম এ আজিজ যাকে এই বিশ্লেষণে বিএনপিপন্থী সাংবাদিক হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আব্দুল লতিফ মাসুম। ফলে এই পর্বে বিএনপি ও বিএনপিপন্থী ঘরানার দুই অতিথির পাশাপাশি একজন শিক্ষক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক উপস্থিত ছিলেন।

১ আগস্ট ‘গুজব-অপতথ্যে রাজনীতি, সমাধান কী?’ শিরোনামের টকশোটি সঞ্চালনা করেন রুহুল আমিন রাসেল। এতে অতিথি ছিলেন বিএনপির গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক কৃষিবিদ শামীমুর রহমান শামীম, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির নির্বাহী সভাপতি মাওলানা এ কে এম আশরাফুল হক এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্ম-পরিষদের সদস্য অ্যাডভোকেট আতিকুর রহমান।

৩০ জুলাই ‘মুখোমুখি বিএনপি-এনসিপি’ শিরোনামের টকশোটি সঞ্চালনা করেন রাজন ভট্টাচার্য। এতে অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ মুসলিম লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট মহসিন রশিদ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিল্পকলা ও ইতিহাস বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সঞ্জয় দে রিপন। শিরোনামে বিএনপি ও এনসিপির রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের বিষয় থাকলেও দেওয়া তথ্য অনুযায়ী অতিথি প্যানেলে বিএনপি বা এনসিপির সরাসরি কোনো প্রতিনিধি ছিলেন না; বরং একজন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি ও একজন শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন।

টকশো

২৮ জুলাই ‘এবার তোপের মুখে জামায়াত এমপি’ শিরোনামের টকশোটি সঞ্চালনা করেন রুহুল আমিন রাসেল। এতে অতিথি ছিলেন বিএনপির সৈয়দা আসিফা আশরাফী পাপিয়া এবং এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ। ফলে জামায়াতকে নিয়ে আলোচনা হলেও জামায়াতের কোন প্রতিনিধি ছিলেন না।

২৭ জুলাই ‘শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ড ও রাজনীতি’ শিরোনামের টকশোটি সঞ্চালনা করেন রুহুল আমিন রাসেল। এতে অতিথি ছিলেন বিএনপির স্বনির্ভরবিষয়ক সম্পাদক ও সংসদ সদস্য নিলোফার চৌধুরী মনি, বাসদের সহকারী সাধারণ সম্পাদক রাজেকুজ্জামান রতন এবং সিনিয়র সাংবাদিক মাসুদ কামাল।

২৬ জুলাই ‘রাষ্ট্রপতির ক্ষমতায় ভারসাম্য’ শিরোনামের টকশোটি সঞ্চালনা করেন রুহুল আমিন রাসেল। এতে অতিথি ছিলেন বিএনপির প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক ও সংসদ সদস্য এ বি এম মোশাররফ হোসেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর উত্তরের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন এবং সিনিয়র সাংবাদিক ও লেখক ড. মাহবুব হাসান।

২৫ জুলাই ‘১১ দলে ভাঙন ও ট্রাম্পের বিশেষ দূতের সফর’ শিরোনামের টকশোটি সঞ্চালনা করেন রাজন ভট্টাচার্য। এতে অতিথি ছিলেন সিনিয়র সাংবাদিক মোস্তফা ফিরোজ এবং খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমির মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী।

২৪ জুলাই ‘রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের নেপথ্যে কী?’ শিরোনামের টকশোটি সঞ্চালনা করেন রুহুল আমিন রাসেল। এতে অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার ওমর সাদাত, সিপিবির ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি সাজেদুল হক রুবেল এবং সাবেক ছাত্রশিবির নেতা ড. মোস্তফা ফয়সাল পারভেজ। এই বিশ্লেষণে ড. মোস্তফা ফয়সাল পারভেজকে জামায়াতপন্থী হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে।

২৩ জুলাই ‘এমপি কাণ্ড, রাষ্ট্রপতি গুঞ্জন, এরপর কী?’ শিরোনামের টকশোটি সঞ্চালনা করেন তনিমা রহমান। এতে অতিথি ছিলেন বিএনপি নেতা মোশাররফ আহমেদ ঠাকুর এবং জামায়াত নেতা অ্যাডভোকেট গোলাম কিবরিয়া।

২২ জুলাই ‘রাজনীতিবিদদের নৈতিক স্খলন, কী শিখবে জনগণ?’ শিরোনামের টকশোটি সঞ্চালনা করেন রুহুল আমিন রাসেল। এতে অতিথি ছিলেন বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিব, আমার বাংলাদেশ পার্টির সভাপতি মজিবুর রহমান মঞ্জু এবং সিনিয়র সাংবাদিক মোস্তফা কামাল।

২১ জুলাই ‘জামায়াত এমপির কাণ্ড’ শিরোনামের টকশোটি সঞ্চালনা করেন তনিমা রহমান। এতে অতিথি ছিলেন কালের কণ্ঠের যুগ্ম সম্পাদক সাঈদ খান, যাকে এই বিশ্লেষণে বিএনপিপন্থী সাংবাদিক হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে, সমকালের উপসম্পাদক মাহবুব আজিজ এবং জামায়াত নেতা মো. কামরুল হাসান।

২০ জুলাই ‘রাজনৈতিক জোটে ক্ষোভের আগুন কেন?’ শিরোনামের টকশোটি সঞ্চালনা করেন রাজন ভট্টাচার্য। এতে অতিথি ছিলেন সাবেক ছাত্রদল নেতা হাফিজ আল আসাদ, যাকে এই বিশ্লেষণে বিএনপিপন্থী হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে, জামায়াত নেতা অ্যাডভোকেট শাহ মাহফুজুল হক এবং সিনিয়র সাংবাদিক মঞ্জুরুল আলম পান্না।

১৯ জুলাই ‘স্থানীয় সরকার নির্বাচন ও রাজনীতি’ শিরোনামের টকশোটি সঞ্চালনা করেন রাজন ভট্টাচার্য। এতে অতিথি ছিলেন বিএনপির দলীয় সংসদ সদস্য শিরিন সুলতানা, জামায়াত নেতা কবির আহমেদ এবং সাবেক ছাত্র ইউনিয়ন সভাপতি শরীফুজ্জামান শরীফ।

১৭ জুলাই ‘জুলাইয়ের ঐক্য এখন বিভক্তির রাজনীতি’ শিরোনামের টকশোটি সঞ্চালনা করেন রুহুল আমিন রাসেল। এতে অতিথি ছিলেন বিএনপির দলীয় সংসদ সদস্য চৌধুরী নায়াব ইউসুফ এবং চরচা-এর সম্পাদক সোহরাব হাসান।

টকশো

১৬ জুলাই ‘জুলাই গণহত্যা—কোন পথে বিচার?’ শিরোনামের টকশোটি সঞ্চালনা করেন রাজন ভট্টাচার্য। এতে অতিথি ছিলেন বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক খোন্দকার মাশুকুর রহমান এবং জামায়াত নেতা ড. ফয়জুল হক।

১৫ জুলাই ‘জুলাই শহীদ দিবস ও রাজনীতি’ শিরোনামের টকশোটি সঞ্চালনা করেন রাজন ভট্টাচার্য। এতে অতিথি ছিলেন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সহসভাপতি এইচ এম আবু জাফর এবং বাংলাদেশ ইসলামি ছাত্রশিবিরের প্রকাশনা সম্পাদক আমিরুল ইসলাম। এই বিশ্লেষণে ছাত্রশিবিরের প্রতিনিধি আমিরুল ইসলামকে জামায়াতপন্থী হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে এবং আবু জাফর কে বিএনপিপন্থী হিসাবে বিবেচনা করা হয়েছে।

১৪ জুলাই ‘শিক্ষার্থীরা কেন রাজপথে?’ শিরোনামের টকশোটি সঞ্চালনা করেন রুহুল আমিন রাসেল। এতে একমাত্র অতিথি ছিলেন বিএনপি নেতা রাশেদ খান।

১৩ জুলাই ‘রোহিঙ্গা-রাজনীতি’ শিরোনামের টকশোটি সঞ্চালনা করেন রুহুল আমিন রাসেল। এতে অতিথি ছিলেন গণফোরামের সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, সিনিয়র সাংবাদিক মাহবুব আলম এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির কেন্দ্রীয় সংগঠক ও সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট মনজিলা ঝুমা।

১২ জুলাই ‘বর্ষা-বন্যায় ভয়াবহ জনদুর্ভোগ’ শিরোনামের টকশোটি সঞ্চালনা করেন রুহুল আমিন রাসেল। এতে অতিথি ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ড. আসাদুজ্জামান রিপন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. হাসানুজ্জামান চৌধুরী এবং বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক আলমগীর কবির।

১১ জুলাই ‘কী হবে ডিসেম্বরে?’ শিরোনামের টকশোটি সঞ্চালনা করেন রুহুল আমিন রাসেল। এতে একমাত্র অতিথি ছিলেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান বদিউর রহমান। অর্থাৎ, এই পর্বে কোনো রাজনৈতিক দলীয় প্রতিনিধি বা সাংবাদিকের পরিবর্তে একজন সাবেক সরকারি কর্মকর্তাকে অতিথি করা হয়।

১০ জুলাই ‘থানায় হামলা-মব থামানোর উপায় কী?’ শিরোনামের টকশোটি সঞ্চালনা করেন রাজন ভট্টাচার্য। এতে অতিথি ছিলেন বিএনপি নেতা ও সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিম, এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু এবং সিনিয়র সাংবাদিক মাহবুব কামাল।

টকশো

৯ জুলাই ‘পাহাড়ে মৃত্যু দায় কার এবং রাজনীতি’ শিরোনামের টকশোটি সঞ্চালনা করেন রুহুল আমিন রাসেল। এতে একমাত্র অতিথি ছিলেন সিপিবির সাবেক সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স।

৮ জুলাই ‘প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা ও কর্নেল অলির উদ্বেগ!’ শিরোনামের টকশোটি সঞ্চালনা করেন রাজন ভট্টাচার্য। এতে অতিথি ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু এবং সিপিবির সভাপতি সাজ্জাদ জহির চন্দন।

সিনিয়র সাংবাদিকদেরও ছিল উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি

রাজনৈতিক ব্যক্তিদের পাশাপাশি টকশোগুলোতে সিনিয়র সাংবাদিকদের উপস্থিতিও উল্লেখযোগ্য। ৩০টি টকশোতে সরাসরি ‘সিনিয়র সাংবাদিক’ হিসেবে পরিচিত ১২ জন অতিথির উপস্থিতি পাওয়া গেছে।

এর মধ্যে ৬ আগস্ট মাহবুব আলম, ৩ আগস্ট আবু সাঈদ খান, ২ আগস্ট এম এ আজিজ, ২৭ জুলাই মাসুদ কামাল, ২৬ জুলাই ড. মাহবুব হাসান, ২৫ জুলাই মোস্তফা ফিরোজ, ২২ জুলাই মোস্তফা কামাল, ২১ জুলাই সাঈদ খান ও মাহবুব আজিজ, ২০ জুলাই মঞ্জুরুল আলম পান্না, ১৩ জুলাই মাহবুব আলম এবং ১০ জুলাই মাহবুব কামাল টকশোতে অংশ নেন।

উল্লেখ্য, অতিথিদের মধ্যে কেউ কেউ একাধিকবার টকশোতে অংশ নিয়েছিলেন। বিভিন্ন ঘরানার প্রতিনিধিত্বের শতকরা হার হিসেব করার জন্য তাদেরকে ভিন্ন ভিন্নভাবে গণনা করা হয়েছে।