ওইদিন সন্ধ্যায় রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে মতবিনিময় সভাটি আয়োজন করে বিএনপি মিডিয়া সেল। এতে সভাপতিত্ব করেন মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক ডা. মওদুদ কবির পাভেল এবং প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির চেয়ারপার্সন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সভায় কতজন অংশ নিয়েছে তা আনুষ্ঠানিকভাবে জানা যায়নি।
গত ১১ সেপ্টেম্বর টকশোতে অংশ নেওয়া বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভার আয়াজন করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ।
ওইদিন সন্ধ্যায় রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে মতবিনিময় সভাটি আয়োজন করে বিএনপি মিডিয়া সেল। এতে সভাপতিত্ব করেন মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক ডা. মওদুদ কবির পাভেল এবং প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির চেয়ারপার্সন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সভায় কতজন অংশ নিয়েছে তা আনুষ্ঠানিকভাবে জানা যায়নি।
বিএনপি মিডিয়া সেলের পেজে গত ১১ সেপ্টেম্বরে নিয়ে একটি ভিডিও পোস্ট করা হয়। সেখানে বলা হয়, "বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির উদ্যোগে টকশোতে অংশগ্রহণকারী বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান।”
তবে গণমাধ্যমগুলো বিভিন্ন সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, প্রায় ৬০ থেকে ৭০ জন ব্যক্তি এতে উপস্থিত ছিলেন। বিএনপির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত একটি সংক্ষিপ্ত ভিডিও/ ডকুমেন্টারিতে দেখা গেছে বিএনপি-ছাত্রদল নেতাদের বাইরেও বুদ্ধিজীবী-সাংবাদিক, ইউজিসি সদস্য এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যগণও সভায় উপস্থিত ছিলেন।
সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি একা পারব না, আপনারা যদি সহযোগিতা না করেন। আপনারাই বলছেন, আমার বিষয়ে মানুষের ধারণা ইতিবাচক। আমি একা ইতিবাচক হলে তো হবে না। আমি একা তো পারব না, সমন্বিত প্রচেষ্টা লাগবে। সরকারের চেষ্টাকে তুলে ধরতে হবে যৌক্তিকভাবে।’
সভায় মন্ত্রী ও কর্মকর্তাদের মধ্যে জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি, বিএনপি মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী, খাদ্যমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুস সালাম, ভূমি ও পার্বত্য বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন , প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী, ডেপুটি প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন উপস্থিত ছিলেন।
বিএনপি নেতাদের মধ্যে ছিলেন -হাবীবুন নবী খান সোহেল , আজিুজুল বারী হেলাল, হাবিবুর রহমান হাবিব , সৈয়দ ইমরান সালেহ প্রিন্স ,মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, আব্দুস সালাম , মোশারফ হোসেন ঠাকুর, নিলুফার চৌধুরী মনি , নিপুণ রায় চৌধুরী , শাহাদাত হোসেন সেলিম , এহসানুল হুদা , কামরুজ্জামান রতন , মাহমুদা হাবীবা, মীর হেলাল , ব্যারিষ্টার নাসির উদ্দিন অসীম, শায়রুল কবির খান, বীথিকা বিনতে হোসাইন , শহিদুল আলম বাবুল, রফিক শিকদার ও ফাহিমা নাসরিন মুন্নী, শিরীন আক্তার ও মানসুরা আলম।
ছাত্রদল নেতাদের মধ্যে কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব, সহ-সভাপতি মনজুরুল ইসলাম রিয়াদসাংগঠনিক সম্পাদক আমানুল্লা আমান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন শাওন, ডাকসুতে ছাত্রদলের ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান ও জিএস প্রার্থী তানভীর বারী হামীম।
শিক্ষক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আল মামুন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ওবায়দুল ইসলাম, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-উপাচার্য অধ্যাপক লুৎফর রহমান, অধ্যাপক মোর্শেদ হাসান খান, ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মতিনূর রহমান, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক আবু হাসনাত শামীম, নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক হাসনাত আলী ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নাহরিন ইসলাম খান উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়াও বিএনপিপন্থী অনলাইন এক্টিভিস্ট মারুফ মল্লিক এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে উল্লেখ করেছেন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ কামরুর আহসানও সেখানে গিয়েছেন কিন্তু প্রবেশ করতে পারেন নি।

বুদ্ধিজীবীদের মধ্যে রেজাউল করিম রনি ও সাংবাদিকদের মধ্যে টকশো উপস্থাপক সাঈদ খান ও ডা. সাখাওয়াত হোসেন সায়ন্থ এবং টাইমস অব বাংলাদেশের উপদেষ্টা সম্পাদক ও জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান।

এ বিষয়ে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সাবেক অধ্যাপক আনু মোহাম্মদ বেঙ্গল লেন্সকে বলেন, ‘এগুলো পুরনো সংস্কৃতি। আগের সরকারের আমলেও এগুলো হতো এখনও তা চলমান। কারণ এসব পদে নিয়োগের জন্য দলীয় আনুগত্যই মুখ্য থাকে যোগ্যতা না। মানুষ এসব দেখে অভ্যস্ত হলেও দেশের জন্য তা কল্যাণকর নয়।
এমএম/ আরএ